ব্রিটিশ রানির কাছ থেকে এখনো ভাতা পান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই সৈনিক

১৯৪২ সালের কথা। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছিল। যুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্রিটিশরা বাজারে ঢোল পেটায়। সেই আহ্বান শুনে সৈনিক হতে চেয়ে লাইনে দাঁড়ান ২৫ বছরের এক যুবক।

সৈনিক বাছাই করতে আসা ব্রিটিশ অফিসার লাইনে দাঁড়ানো সবার বুকে হাত দিয়ে জোরে জোরে আঘাত করতে থাকেন। সেই আঘাতে অনেকে মাটিতে পড়ে যান, তবে সেই যুবক ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন। সেখান থেকে যুবক যান যুদ্ধে, ফেরেন বিজয়ী হয়ে। যুদ্ধের পর ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে কিছু না পেয়ে ওই যুবক ব্রিটিশ রানির কাছে চিঠি লেখেন। সেই চিঠির জবাব দেন রানি।

এ গল্প দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া সৈনিক আব্দুল মান্নানের। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামে তার বাড়ি।

জন্মসনদ অনুযায়ী আব্দুল মান্নানের জন্ম ১৯১৫ সালে। বর্তমানে তার বয়স ১০৭ বছর। তবে আব্দুল মান্নানের দাবি, তার বয়স ১১৫ বছরের বেশি।

গতকাল মঙ্গলবার (২ অগাস্ট) আব্দুল মান্নানের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি তার ঘরে থাকা ট্রাংক থেকে বের করে দেখান যুদ্ধের সময়ের স্মৃতি। যুদ্ধের সময়কার কিছু কাগজপত্র এবং তার চিঠির জবাবে ব্রিটিশ রানির পক্ষ থেকে দেওয়া চিঠিও বের করে দেখান আব্দুল মান্নান। বের করেন সৈনিকের পোশাক। যে পোশাকে এখনো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর দেওয়া কয়েকটি মেডেল ঝুলে আছে। সব এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন আব্দুল মান্নান।

১০৭ বছর বয়সী আব্দুল মান্নানের চেহারায় বয়সের ছাপ থাকলেও এখনো চলাফেরা ও কথাবার্তায় বেশ সাবলীল। এখনো মনে আছে যুদ্ধের সব স্মৃতি।

আব্দুল মান্নান জানান, এখনো কোনো অসুখ-বিসুখ কাবু করতে পারেনি তাকে। চলা ফেরাও করেন একা একা। তিনি কখনো বিদ্যালয়ে পা রাখেননি। তবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। স্বাক্ষরও দেন ইংরেজিতে। বিটিশ সৈনিকদের সঙ্গে কাজ করার সময় শিখেছেন ইংরেজি।

আব্দুল মান্নান বিয়ে করেছেন পাঁচটি। এখনো বেঁচে আছেন একজন। সব মিলিয়ে মোট ১৭ জন সন্তানের জনক তিনি। এর মধ্যে ছয় ছেলে, পাঁচ মেয়ে বেঁচে আছেন।

তিনি জানান, বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পর ১৯৪২ সালে বিভিন্ন বাজারে ঢোল পেটায় ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। বাজারে তার বাবা আব্দুর রহমান সেই ঘোষণা শুনে এসে তাকে মাঠে যেতে বলেন। বাবার কথা শুনে সৈনিক হিসেবে যোগ দিতে কিশোরগঞ্জের ডাকবাংলো মাঠে লাইনে দাঁড়ান তিনি। সেখানে গিয়ে শোনেন ওজন ও লম্বায় ঠিক না হলে সৈনিক হিসেবে নেবে না। তাই তিনি তিনবার পানি পান করেন ওজন বাড়ানোর জন্য।

লাইন থেকে সৈনিক বাছাই করতে এক ব্রিটিশ অফিসার এসে সবার বুকে জোরে জোরে আঘাত করতে থাকেন। তখন অনেকে মাটিতে পড়ে গেলেও তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর গ্রামের আরও কয়েকজনের সঙ্গে তাকে চূড়ান্ত করা হয়। পরে ট্রেনিংয়ের জন্য পাকিস্তান ও চীনের সীমান্ত এলাকা হাসানাবাদ বর্ডারে নেওয়া হয় তাদের।

ট্রেনিংয়ের সময় জ্বরে আক্রান্ত হন আব্দুল মান্নান। অনেক দিন বেশি জ্বরে আক্রান্ত থাকায় অফিসার আব্দুল মান্নানের বাবার কাছে চিঠি পাঠান। চিঠিতে অফিসার লেখেন, ‘আপনার ছেলে অসুস্থ, হয়তো মারা যাবে। এখন কী করব?’ আব্দুল মান্নানের বাবা চিঠির উত্তরে লেখেন, ‘আমার ছেলের লাশ পেলেই হবে। কিন্তু সে যুদ্ধে সৈনিক হিসেবে অংশ নেবে।’

এক মাসের ট্রেনিং শেষে ওই ব্যাটালিয়নের ক্যাপ্টেন ড. গালিব আব্দুল মান্নানকে ল্যান্স নায়েকের দায়িত্ব দেন। তার অধীনে ছিল ১১ জন সৈনিক।

আব্দুল মান্নান জানান, সেখান থেকে চার হাজার সৈনিক পানিপথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। বড় জাহাজে করে ছয় মাসের খাবার নিয়ে কলম্বোর দিকে রওনা দেন তারা। অস্ত্র, গোলা-বারুদসহ চারটা কামান বিভিন্ন দিকে তাক করা ছিল জাহাজে। সেই জাহাজে শুধু ভারতীয় উপমহাদেশের সৈনিকরা ছিল। জাহাজটি টানা এক মাস রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা মহাসাগরে তাদেরকে নিয়ে মহড়া দেয়।

সেখানে সৈনিকদের বলা হয়- এই পানিপথে অনেকে আক্রমণ করতে আসবে। তাদের যেন গুলি করে হত্যা করা হয়। কিন্তু তাদের সামনে কোনো শত্রুই পড়েনি। এক মাস পর মহাসাগর থেকে আবার কলম্বোয় ফিরে আসেন তারা। তখন কলম্বোর কাছাকাছি হিটলারের একটি জাহাজকে তারা ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। পরে সেখান থেকে আবার ভারতের হায়দ্রাবাদ নিয়ে আসা হয় তাদের।

১৫ দিনের ছুটি দেওয়া হয়। ছুটি শেষে আবারও জয়েন করার পর করাচি থেকে মিয়ানমারের দিকে সৈনিক দলের সঙ্গে রওনা হন আব্দুল মান্নান। প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে হিমালয় পর্বতের নিচের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হয়ে মিয়ানমারে পৌঁছায় তাদের সেই সৈনিক দল।

সেখানে কিছু কিছু স্থানে শত্রুপক্ষ থাকার সংবাদ পেয়ে গুলি ছোড়েন মান্নানরা। মিয়ানমার গিয়ে ক্যাম্প করার পর তারা সংবাদ পান জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলা হয়েছে (১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট)। এরপর যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়।

আব্দুল মান্নান জানান, সম্মুখযুদ্ধে শত্রুপক্ষের একজনকেও তিনি হত্যা করেননি। কারণ যুদ্ধের ময়দানে এ ধরনের পরিস্থিতির সামনে তাকে পড়তে হয়নি। যুদ্ধের প্রথম ট্রেনিংয়ের সময় তাদের চারটি কথা বুঝিয়ে দেওয়া হয়- কাউকে থাপ্পড় দেওয়া যাবে না, সম্পদ লুট করা যাবে না, নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন করা যাবে না এবং মিথ্যা বলা যাবে না।

আব্দুল মান্নান বলেন, আমি হালকা থ্রি নট থ্রি রাইফেল চালাতাম। কাঁধে অস্ত্র নিয়ে প্রতিদিন স্থলপথে বেশ কয়েক মাইলের মতো হাঁটতে হতো। হিরোশিমায় পরমাণু বোমা নিক্ষেপের পর ইন্ডিয়ান সৈনিকদের কাছে আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে ব্রিটিশ সৈনিকরা চলে যেতে থাকে। এ সময় পাঁচ-সাত জন করে একেকটি দল ক‌্যাম্প ছেড়ে দিতে থাকে। তখন আমরা জানতে চাই, ব্রিটিশ সৈনিকরা আমাদের রেখে কোথায় চলে যাচ্ছে? তখন সত্য না বলে ইন্ডিয়ান সৈনিকরা জানায়, তারা কোয়ার্টারে যাচ্ছে। সত্যিটা হলো, সব ব্রিটিশ সৈনিক তখন বিমানে করে লন্ডন চলে যাচ্ছিল। কয়েকদিনের মধ্যে সব সাদা চামড়ার অফিসার (ব্রিটিশ) চলে যায়।

তিনি বলেন, হিরোশিমায় বোমা মারার পরই যুদ্ধটা আসলে শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারপর মাত্র পাঁচশ টাকা হাতে ধরিয়ে আমাদের কলকাতায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় আমাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া এই সৈনিক বলেন, সেই যুদ্ধে যাওয়ার বিনিময়ে আমি তেমন কিছু পাইনি। এরশাদ সরকারের সময় আমি ব্রিটেনের রানির কাছে চিঠি লিখেছিলাম। আমি যেহেতু লিখতে পারি না তাই সুখিয়ার আলতাফ মাস্টারের সহযোগিতায় সেই চিঠি লিখি। তাতে আমি লিখেছিলাম- ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে আপনার ব্রিটিশ সেনাবাহিনী আমাদের ফেলে, কমান্ড ছেড়ে চলে গেল, কিছু বলে যায়নি। আমার অধিকার আমি পাইনি। যুদ্ধ জয় করে আপনার দেশের সৈন্যরা আমাদের কাছে কিছু না বলে চুপিচুপি সেখান থেকে চলে গেল। এখন লন্ডন শহরে তারা মাথা উঁচু করে হাঁটে। আমি যে আপনাদের হয়ে যুদ্ধে অংশ নিলাম আমাকে তো প্রাপ‌্য সম্মানটুকু দেননি আপনারা। কোনো খোঁজখবরও রাখেননি।’

চিঠির একটি কপি দিলাম রাষ্ট্রপতি এরশাদের দপ্তরে আরেকটি ব্রিটিশ হাইকমিশনে। ব্রিটিশ রানি আমার চিঠির জবাব দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি জানান, ‘আপনার বিষয়টি দেখার জন‌্য আমাদের তরফ থেকে আপনাদের রাষ্ট্রপতি এরশাদকে বলা হয়েছে।’ ব্রিটিশ অ্যাম্বাসি থেকে আমাকে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়- ‘আপনার বিষয়টি ব্রিটিশ সোলজার বোর্ড থেকে অচিরেই সমাধান করা হবে।’

আব্দুল মান্নান বলেন, সে সময় ময়মনসিংহের কাচারীঘাট সোলজার বোর্ডে আমাকে ডেকে নিয়ে ভাতা হিসেবে তিন হাজার ৫৩৮ টাকা ৭৭ পয়সা দেওয়া হয়। তখন কাচারীঘাট সোলজার বোর্ডের অফিসার আমাকে বলেন- ‘আপনি তো কিশোরগঞ্জ-লন্ডন রাস্তা তৈরি করে ফেলেছেন, আপনি আমাদের ডিঙিয়ে কীভাবে এই কাজ করলেন! আপনার সাহসও অনেক।’

তিনি জানান, এরশাদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার ভাতা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে কয়েক বছর আগে ময়মনসিংহের কাচারীঘাট সোলজার বোর্ড থেকে তিনজন লোক এসে আমার খোঁজখবর নিয়ে বলেন- ‘আমরা ৭৫ জনের সঙ্গে দেখা করেছি। সবাইকে লোকজন ধরাধরি করে আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু আপনি তো এখনো হেঁটে হেঁটে আমাদের সামনে চলে আসলেন। এখন থেকে আপনি নিয়মিতই ভাতা পাবেন।’

এখন নিয়মিত ভাতা পান আব্দুল মান্নান।

এদিকে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেও নিজের অবদান আছে বলে দাবি করেন আব্দুল মান্নান। এলাকার লোকজনকে যুদ্ধের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতে পাঠান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে অনেকে মুক্তিযোদ্ধার সনদ পেলেও তিনি কোনো সনদ পাননি।

এছাড়া কালিয়াচাপড়া চিনি কলে দীর্ঘদিন সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আব্দুল মান্নান। সেখানে অবসর সুবিধার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আব্দুল মান্নান বলেন, আমার শেষ ইচ্ছা হলো, আমি দেশের মাটিতেই মরতে চাই। তবে ব্রিটিশ সরকার যদি আমাকে তাদের দেশ ভ্রমণের সুযোগ দেয়, তাহলে আমি লন্ডনে যেতে চাই। বাংলাদেশ সরকারের কাছে চাওয়া- আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমার জন্য কিছু করার থাকলে করা হোক।

সৈনিক আব্দুল মান্নানের বড় ছেলে আরিফ বলেন, আমার বাবার এই অবদানের জন্য আমরা গর্বিত। এখনো বাবা ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ভাতা পেয়ে আসছেন। তা দিয়েই তিনি চলেন।

এলাকার স্কুলছাত্র কবীর বলেন, আমরা বইয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কাহিনি পড়েছি। কিন্তু আমার কাকা এই যুদ্ধের সৈনিক ছিলেন জেনে খুব ভালো লাগে। । আমরা তার মুখ থেকে বিশ্বযুদ্ধের গল্প শুনেছি।

এলাকার মুরব্বি বছির উদ্দিন বলেন, সৈনিক আব্দুল মান্নান আমাদের দাদা হন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যুদ্ধ করেছেন। আমরা বড় আজলদীর গ্রামের বাসিন্দারা তার জন্য গর্বিত।

যুদ্ধ চলাকালে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরিরত সদস্যদের কল্যাণের লক্ষ্যে ১৯৪২ সালে ‘সোলজারস, সেইলরস অ্যান্ড এয়ারম্যানস বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করে ব্রিটিশ সরকার। তাদের অধীনে থাকা সব দেশে এই বোর্ড ছিল। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে সংস্থাটিকে রূপ দেওয়া হয় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডে (বিএএসবি)। বর্তমানে বিএএসবির অধীনে দেশের ২০টি জেলায় ডিস্ট্রিক্ট আর্মড সার্ভিসেস বোর্ড (ডিএএসবি) অফিস ও ২৯টি মেডিকেল ডিসপেনসারি চালু আছে।

এ বোর্ডের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কল্যাণ ও পুনর্বাসন, আর্থিক সাহায্য, অবসরপ্রাপ্তদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের সন্তান ও পোষ্যদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান এবং সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের পেনশন প্রাপ্তিতে সহায়তা দেওয়া। ১৯৪৭ সালের আগে ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করা বাংলাদেশি সেনা সদস্য ও তাদের বিধবা স্ত্রীদের ভরণপোষণের জন্য যুক্তরাজ্য সরকারের দেওয়া ভাতাও বিএএসবির মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। দ্য রয়্যাল কমনওয়েলথ এক্স-সার্ভিসেস লিগ (আরসিইএল) অনুদান হিসেবে এ অর্থ দিচ্ছে।

বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে বিএএসবির কাছে এ তহবিলের অর্থ দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত শাখার মাধ্যমে তা প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে বিএএসবি। তাদের প্রত্যেকে তিন মাস অন্তর ১৬ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক যেসব সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, তাদের স্ত্রী জীবিত থাকলে তাকেও সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

কমনওয়েলথভুক্ত ৪৮টি দেশে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট হারে অর্থ দিয়ে আসছে আরইসিএল। বর্তমানে ৪৮টি দেশে ৪০ হাজার সদস্যের মধ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে বিএএসবি অনুদানের এ অর্থ বিতরণ করছে। দেশে বর্তমানে জীবিত ৯ জন সাবেক সেনা (ব্রিটিশ) এবং প্রায় ১৫০ জন সাবেক সেনার স্ত্রী এ সুবিধা পাচ্ছেন।

Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ