শিক্ষিকাকে ছাত্রের বিয়ের খবর ভাইরাল: এবার শুভেচ্ছায় সিক্ত এই দম্পতি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ছয় মাসের প্রেমের পর সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহার বিয়ে করেছেন কলেজছাত্র মামুন হোসেনকে। এ খবরও প্রকাশ হয় বিয়ের ৬ মাস পরে।

দম্পতির বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুরে হলেও তারা নাটোর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। রোববার তাদের বিয়ের গোপনীয়তা ভেঙে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হলে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

সোমবার বর মামুন হোসেনের পৈত্রিক বাড়ি উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে এসে উঠেন খাইরুন নাহার। খবর পেয়ে নবদম্পতির বন্ধু-স্বজনরা ফুল আর মিষ্টি নিয়ে হাজির হন মামুনদের বাড়ি। দিনভর শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তারা।

সোমবার বিকেলে কলেজছাত্র মামুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মামুন ও খাইরুনের স্বজন-বন্ধুরা বাড়িতে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। অনেক বন্ধু মিষ্টি নিয়ে ছুটে গেছেন তাদের অভিনন্দন জানাতে। বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের ফুলেল শুভেচ্ছা পেয়ে অনেক খুশি এই দম্পতি।

মামুন হোসেন বলেন, ‘২০২১ সালের ২৪ জুন আমাদের পরিচয় হয়। পরিচয়ের ৬ মাস পর ১২ ডিসেম্বর আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। আমাদের সম্পর্ক পরিবার সমাজ মেনে নিবে না ভেবে বিয়ের খবর প্রকাশ করা হয়নি।’
‘সপ্তাহখানেক আগে ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে বিয়ের খবর প্রকাশ করি। তারপর থেকেই আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। এটা ভেবেই এখন পর্যন্ত আমরা সুখে আছি।’ যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজিপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহার (৪২) প্রথম স্বামীর সংসার ভাঙার পর এনএস কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মামুন হোসেনের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

সম্পর্কে জড়ানোর ৬ মাসের মাথায় তারা বিয়ে করেন। বিয়েটা মামুনের পরিবার মেনে নিলেও খাইরুনের পরিবার মেনে নিচ্ছেন না। তাই তারা এলাকার বাইরে নাটোর শহরে বসবাস করছিলেন। কিন্তু ঘটনা জানাজানি হলে মামুনদের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন তারা।

Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ